ডিটিএইচ কী? কেন কিনবেন রিয়েল ভিউ ডিটিএইচ?
কেবল সংযোগ ছাড়াই স্যাটেলাইট টিভি দেখার উন্নত প্রযুক্তি হচ্ছে ডাইরেক্ট টু হোম বা ডিটিএইচ। এ প্রযুক্তিতে গ্রাহক সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে অনুষ্ঠান নিজের টিভিতে ডাউনলিংক করতে পারেন। এই প্রযুক্তিতে ছবি ও শব্দ আসে কেবল সংযোগের চেয়ে দ্রুতগতিতে। প্রতিটি চ্যানেলের ছবি ও শব্দের মান থাকে একই রকম। প্রতিবেশী দেশ ভারতে টাটা স্কাই, রিলায়েন্স, ডিশ টিভি, এয়ারটেলসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ডিটিএইচ সেবা দিচ্ছে।
ডিটিএইচ (ডিরেক্ট টু হোম) চালু করতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো গ্রুপ আলাদা একটি কোম্পানি রিয়েল ভিউ ডিটিএইচ চালু করতে যাচ্ছে। ডিটিএইচ প্রযুক্তির মাধ্যমে টিভি দর্শকরা বাড়িতে একটি রিসিভার বসিয়ে সরাসরি স্যাটেলাইট সিগন্যাল গ্রহণ করতে পারবেন। ব্রডকাস্টিং কোম্পানিগুলোকে আলাদা তারের মাধ্যমে প্রতিটি টিভি সেটে সংযোগ দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।
কেবল লাইনের সংযোগ ছাড়াই স্যাটেলাইট টিভি দেখার উন্নত প্রযুক্তি হচ্ছে ডিটিএইচ। অর্থাৎ, এখানে সরাসরি কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণের মাধ্যমে স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো দেখা যাবে ঘরের টিভিতে। এ প্রযুক্তিতে সিগন্যাল ডাউনলিংকের মাধ্যমে ছবি ও শব্দ আসে কেব্ল সংযোগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি গতিতে। ডিটিএইচ প্রযুক্তিতে তথ্য স্থানান্তরের গতি ১১ দশমিক ৭ থেকে ১৪ দশমিক ৫৫ গিগাহার্টজ।

ডিটিএইচের সুবিধাঃ
কম ঝামেলাপূর্ণ ও স্বল্প খরচে নিজের পছন্দমতো চ্যানেল দেখার সুবিধার জন্য ডিটিএইচে পাওয়া যায়। ফ্রি স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখার জন্য আলাদা কোনো টাকা দিতে হবে না। কারণ, আপনি নিজেই নিজের অপারেটর। কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ গেলে কেব্ল লাইন বন্ধ হওয়ার যে ঝামেলা, তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। দেশের যেকোনো জায়গায় ডিটিএইচ যন্ত্রাংশ যুক্ত করে স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখা সম্ভব।
ডিটিএইচ একটি স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে সরাসরি গ্রাহকের টিভিতে সিগন্যাল পৌঁছে দিয়ে মাল্টি-চ্যানেল টিভি প্রোগ্রাম দেখার সুযোগ করে দেয়। ডিটিএইচ সংযোগের সাথে একটি ডিশ ও রিসিভার সেট প্রদান করআ হয়। এই ডিশের মাধ্যমে সিগন্যাল গ্রহণ করে রিসিভিং সেটের সাহায্যে দর্শকরা তাদের বাড়ীতে বসে বিভিন্ন চ্যানেল দেখতে পারবেন। ডিটিএইচ’র অনেকগুলো সুবিধার একটি হচ্ছে গ্রাহকরা নিজেরাই পছন্দনীয় চ্যানেলগুলো বাছাই করতে পারবেন। কেবল অপারেটরের পছন্দে চ্যানেল দেখতে হবে না। কেবলে সিগন্যাল ব্রেক হয়। ডিটিএইচ প্রযুক্তিতে সিগন্যাল ব্রেক হয় না।
বসুন্ধরা গ্রুপকে এই তারবিহীন ডিসের ব্যবসার লাইসেন্স দিলে ভালোহতো।তাহলে তারা সবকিছু যন্রপাতি এবং মাসিক বিলটাও কমনিতে পারতো।তাহলে অল্প কিছুদিনের ভিতরে বাংলাদেশের মানুষ এসেবা গ্রহন করতে পারতো।বেক্সিমকো গ্রুপ কি করছে তারা নিজরাও তা জানেনা।এই সেবাটিকে তারা ভালোভাবে প্রসার তো দূরের কথা মানুষকে ভালোভাবে এ সেবা সম্পর্কে খবরটাও দিতে পারেনাই।আর তারা কি ব্যবসা করবে?তারা শুধু নিজের কথাই ভাবছে।জনগণের কথা ভাবছেনা।কারন তারা তাদের সেটটপ বক্স এবং রিসিবারের দামটাই বেশী করে রাখছে এবং মাসিক বিলটাও। সেটটপ বক্স+ রিসিভার ৫০০০/৫৫০০ আবার মাসিক বিল ৩০০ টাকা দিয়ে মানুষ এ সেবা নিতে পারবে বলে আমি মনেকরিনা।এত টাকা খরচ করে এ লাইন নেওয়ার চেয়ে আগের লাইনই ভালো।কেননা এতে বিল ২০০ টাকা।আর প্রথমে লাইন নিতে ৫০০ টাকা লাগে।তাহলে কোথায় ৭০০শ আর কোথায় ৬০০০ হাজার।তাহলে নেবে কিভাবে? এটার দাম কমানো উচিৎ।এবং সরকারকে একটা কাজ করতে হবে। সেটা হচ্ছে এদেরকে আর মাত্র ৬ মাস সময়ের মধ্যে এ সেবা মানুষের কাছে তথা পুরোদেশে এসেবা প্রদার করার ব্যাপারে শর্তদিতে হবে।তানাহলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করে অন্য কোন কোম্পানীকে এটার লাইসেন্স দিতেহবে।তাহলেই সব ঠিকহবে।আর অন্যান্য কোম্মানীর মধ্যে আমার মতে বসুন্ধরা গ্রুপকে এসেবা প্রদানের দায়িত্ত দিলে তারা খুব ভালো ফালাফল দিতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।কারণ তাদের কাজগুলো অত্যন্ত সচ্চ।এবং মানুষের ধারন ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে পারবে।
ReplyDelete